সন্ধান২৪.কম : রবিবার যমুনা নদীর ওপর দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেল সেতুর নির্মাণ শুরু হচ্ছে । প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই রেল সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এবার বঙ্গবন্ধু সেতুর ৩০০ মিটার উজানে নির্মিত হচ্ছে ডাবল লেনের ৪.৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের রেল সেতু।
বঙ্গবন্ধু সেতু চালুর পর থেকে ২২ বছর ধরে সেতু দিয়ে নানা সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে রেল পারাপার হয়ে আসছে।

১৯৯৮ সালে বঙ্গবন্ধু সেতু চালুর মধ্য দিয়ে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ চালু হয়। প্রথমে ব্রডগেজ ও মিটারগেজের চারটি ট্রেন দৈনিক আটবার পারাপারের পরিকল্পনা থাকলেও যাত্রী চাহিদা বাড়তে থাকায় সেতুর ওপর দিয়ে চলাচলকারী ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হয়। ২০০৮ সালে বঙ্গবন্ধু সেতুতে ফাটল দেখা দেওয়ায় কমিয়ে দেওয়া হয় সেতুর ওপরে চলাচলকারী ট্রেনের গতিসীমা। বর্তমানে ৩৮টি ট্রেন নিয়মিত স্বল্প গতিতে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হলেও সময় অপচয়ের পাশাপাশি ঘটছে শিডিউল বিপর্যয়; বাড়ছে যাত্রী ভোগান্তি।
ট্রেন যোগাযোগ ব্যবস্থা নির্বিঘ্ন করতে বঙ্গবন্ধু সেতুর ৩০০ মিটার উজানে নির্মাণ করা হচ্ছে দেশের সর্ববৃহৎ ডেডিকেডেট রেল সেতু। এই সেতুর ওপর দিয়ে ১০০ কিলোমিটার বেগে দুটি ট্রেন একসঙ্গে চলাচল করতে পারবে। উন্মুক্ত হবে সব ধরনের পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলের। ফলে সময় সাশ্রয় হওয়ার পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে।


