সন্ধান২৪.কম : এক যুবতী মেয়েকে হোটেলে এনে ৬ জন মিলে গণধর্ষণের দায়ে সোমবার ( ১২ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় পুলিশ ৫ জনকে আটক করেছে। এতে হোটেল মালিকের ছেলেসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
জানা যায়, প্রেমের টানে গত শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় ঐ মেয়ে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে দক্ষিণ ভাটেরখীল এলাকার মোঃ ইমন ইসলাম(২০) সাথে দেখা করতে পৌরসভায় আসে। সে পৌরসদরে আসলে ইমন তাকে বিশ্রামের কথা বলে পৌরসদরে স্থানীয় জলসা হোটেলে স্বামী স্ত্রী পরিচয় দিয়ে ৪০১নং কক্ষে উঠে। এরপর ইমন তাকে নেশা জাতীয় ট্যাবলেট খাওয়ায়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। এরপর ইমন মেয়েটির জন্য খাবার আনতে যাচ্ছে বলে ইমন নিচে যায়।

কিছুক্ষণ পর ইমনসহ ৬ জন বখাটে যুবক মেয়েটির রুমে ডুকে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে রাত ২টায় কৌশলে হোটেল হতে মেয়েটি বাহির হয়ে সারারাত বাস স্ট্যান্ডে লুকিয়ে থেকে সকালে ফুফুর বাড়িতে যায় এবং অভিভাবকেরা বিষয়টি জানতে পারে।
নয়ন গত শনিবার বিয়ে করার কথা বলে ওই তরুণীকে সীতাকুণ্ডে ডেকে নিয়ে আসেন। পরে পৌর সদরের জলসা আবাসিক হোটেলের একটি কক্ষে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন। এরপর নয়ন তার বন্ধুদের হোটেলে ডেকে নিয়ে আসেন এবং সবাই ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন। শনিবার রাত থেকে রোববার রাত পর্যন্ত চলে এই ঘটনা। পরে সোমবার সকালে ওই তরুণী কৌশলে তাদের হাত থেকে ছাড়া পেয়ে সীতাকুণ্ড মডেল থানায় গিয়ে বিষয়টি জানালে পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে হোটেল জলসা ও পৌর সদরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করে।
এই ঘটনায় গত সোমবার সে থানায় এসে মামলা করলে পুলিশ কথিত প্রেমিক ইমন (২০), ধর্ষণে অভিযুক্ত মোঃ আলিম হোসেন (২২), মোঃ রিফাত (১৮) এবং ধর্ষণকারীদের সহযোগিতা করার কারণে হোটেল মালিকের ছেলে ম্যানেজার মোঃ নুর উদ্দিন (৩৮) ও রুম বয় মোঃ নাজিম (১৭) কে পুলিশ আটক করে। বাকী ধর্ষণকারী মোঃ রনি (২০),মোঃ তারেক(২০) ও মোঃ নয়ন(২২) পলাতক।


